Saturday, June 22, 2019
জেব্রা ক্রসিং মানে কি? শুধুই কি রাস্তায় সাদা রঙের আলপনা ??
অনেকেই জানেন না, নীতি নিরধারক সরকার কেউ কি জানেন জেব্রা ক্রসিং কি? জেব্রা ক্রসিং মানে কি শুধু সাদা রং, যা দেখে নিরাপদ ভেবে মানুষ পার হতে গিয়ে খুন হয়, আসলে এই গুলো হলো, মরন ফাঁদ, অনেকেই ব্যাঙ্গ করে বলেন জেব্রা ক্রসিং দিয়ে কি হবে, তাদের বলছি, জেব্রা ক্রসিং এর সামনে পিছনে অন্তত স্পিড ব্রেকার থাকতে হয়, নয়তো ট্রাফিক থাকতে হয় , নয়তো ট্রাফিক সিগন্যাল থাকতে হয়, এই সব না বুঝে রামছাগলের মত মন্তব্য করে বসেন, আমি যেই স্থানের কথা বলছি, সেই বিমান বন্দর সড়ক রোড ডিভাইডে দেয়া, ইচ্ছে করলেই মানুষ এই জেব্রা ক্রসিং ছাড়া অন্য স্থান দিয়ে রাস্তা পারাপার হতে পারবে না, সেই জেব্রা ক্রসিং শুধু মাত্র সাদা রংয়ের দাগ, পথচারী নিরাপত্তার জন্যে কোন স্পিড ব্রেকার নেই, ট্রাফিক নেই, ট্রাফিক পুলিশ নেই, জাষ্ট এটা একটা মরনফাঁদ, এখানে আগে একটা ফুটোওভার ব্রিজ ছিলো, কোন বিকল্প না করে করে, ওভার ব্রিজ সরিয়ে নিল,
মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন হত্যার বিচারের দাবিতে মানব্বন্ধন
বিমানবন্দর সড়কের বাসের ধাক্কায় সেন্ট যোসেফ কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আদনান তাসিন নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাসচালককে আটক ও বিচারের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। রোববার শেওড়া রেলগেট এলাকায় এ মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে গুলশান ডিগ্রি কলেজ, নিউ লাইফ হাই স্কুল ও প্রাইম ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের কয়েকশ’ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক অংশ নেন। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ঘাতক চালককে আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বিকল্প ব্যবস্থা না করে কেন ওভারব্রিজ সরানো হল? তা পুনঃস্থাপন করতে হবে। জেব্রা ক্রসিংয়ের দুই পাশে স্পিডব্রেকার, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা করতে হবে। সিগন্যাল লাইট, বাস স্টপেজ ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করতে হবে।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া প্রাইম ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নুরুজ্জামান প্রিন্স বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা না করে এখান থেকে ওভারব্রিজ সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ কারণে একই স্থানে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা আদনান হত্যার বিচার চাই।
আদনানের বাবা আহসান উল্লাহ টুটুল বলেন, দুর্ঘটনার ২০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও পুলিশ ঘাতক বাসচালককে আটক করতে পারেনি। আমি ঘাতক চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। আর কোনো মেধাবী ছাত্র যেন আমার ছেলের মতো দুর্ঘটনার শিকার না হয় সেই দাবি জানাচ্ছি।
উই ওয়ান্ট জাস্টিস প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয়া নিউ লাইফ হাই স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. তানভির হোসেন বলেন, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। স্কুল থেকে নিরাপদে বাসায় ফেরার নিশ্চয়তা চাই।
মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন নির্মম হত্যাকাণ্ড
আদনান তাসিন ; স্বপ্ন দেখতো অনেক বড় হবে। St. Joseph Higher Secondary School এ একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়ন করছিল। পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি তে জিপিএ ৫ পাওয়া একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন।
এসময়ের সড়কে দুর্ঘটনার নামে হত্যা নৈরাজ্য দেখে আতঙ্কিত ছিল সে। সর্বশেষ(১০ ফেব্রুয়ারি) বাবার সাথে রাতের খাবার খেতে বসে বাবাকে বলেছিল, 'আব্বু তুমি তো ফেইসবুকে লেখালেখি কর, সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের জন্য কিছু লিখতে পারো না।'
বাবা তখন চুপ করে শুধু কথাগুলো শুনেছিল।
তারপর সব ঠিকই চলছিল। সকালে আদনান কলেজে গেল। তবে, কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে বিমান বন্দর সড়কে জোয়ার সাহারা(শেওড়া) বাস স্ট্যান্ডে রাস্তা পারাপারের সময় একটা দ্রুত গতিতে ঘাতক বাস পিষে দিল এক রাশ স্বপ্নকে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবা জানতে পারে সড়ক দূর্ঘটনায় তার বুকের মানিক মৃত্যু হয়েছে। আকাশ ভেঙ্গে পড়লো বাবা আহসানুল্লাহ'র মাথা।
মৃত্যু হয়েছে! হ্যাঁ পুলিশ বলেছে, মৃত্যু দুর্ঘটনায় হয়েছে। তবে, আমি(ইনজামুল) বলছি, 'এটা দুর্ঘটনা নয়, হত্যা হয়েছে, আর পুলিশ শাক দিয়ে মাছ ডাকছে।'
শেওড়া বাস স্টপ, এখানে একসময় সড়ক পারাপারের জন্য ছিল ফুটওভারব্রিজ। যতদূর তথ্য পেয়েছি মেট্রো রেল এর কাজের জন্য ফুটওভারব্রিজটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। [সূত্র: নিউজ২৪ টিভি]
তবে সাধারণ পথচারীদের চলাচলের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থাই রাখা হয়নি সেখানে। শুরু হয় জনদুর্ভোগ, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার মাঝের ডিভাইডার ডিঙিয়ে পারাপার করতে হতো পথচারীদের। ফুটওভার ব্রিজটি সরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে গত ৭ জুলাই শেওড়ায় মানববন্ধন করেছে সাধারণ পথচারীরা।[সূত্র: যুগান্তর, সমকাল]
তার কিছুদিন পর সারাদেশ জুড়ে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন হলে প্রশাসনের টনক নড়ে। যার একটু সুফল পায় শেওড়া বাস স্টপে প্রতিদিন রাস্তা পারাপারকারী পথচারীরা। পথচারীদের পারাপারের জন্য রাস্তার ডিভাইডার ভেঙে রাস্তায় সাদা রং এর দাগ টেনে জেব্রা ক্রসিং তৈরি করে দেয়া হয়।
হ্যাঁ। সেই জেব্রা ক্রসিং দিয়েই রাস্তা পারাপার করছিল আদনান তাসিন এবং ঘাতক বাস অতি গতিশীল ছিল। [সূত্র: প্রত্যক্ষদর্শী]
প্রথমতঃ আমি দাবী করছি তাসিন কে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তাসিন কে পিষে যাওয়া উত্তরা পরিবহনের ঢাকা মেট্রো ব ১১-৪৫৮৪ নম্বর বাসটি জেব্রা ক্রসিংয়ে গতি কমায় নি। সুতরাং চালক আইন মানেনি এবং একজনকে হত্যা করেছে।
দ্বিতীয়তঃ দুর্ঘটনার পর পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরি করে এবং দুর্ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা বাসটি আটক করে। পরবর্তীতে তাসিনের বাবার শক্ত অবস্থানের কারণে আরেকটি মামলা নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু ঘটনার প্রায় বিশ দিনেও আসামি গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থতা পরিচয় দিয়েছে তারা।
পুলিশ বলেছে, এই দুর্ঘটনার পর কোন আন্দোলন হয় নি, এসবে মামলা করে যথাযথ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সেহেতু পুলিশ তাদের দায়িত্ব যথাযথ পালন করেনি।
#বর্তমানঃ
আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আর তাই হত্যার বিচারের জন্য পুলিশের ভাষ্য অনুসারে তিনি আন্দোলন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
#প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন, বিচার পেতে যদি আন্দোলনের প্রয়োজন হয় তাহলে বেতন দিয়ে বলদ পোষার কি দরকার?
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২
জয়পুরহাটে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। রোববার সকালে আক্কেলপুর উপজেলার কানুপুর ও দুপুরে ক্ষেতলাল উপজেলার দাশরা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার জামালপুর চারমাথা এলাকার মৃত শহিদ মন্ডলের ছেলে ভটভটি চালক আব্দুস সালাম ও ক্ষেতলাল উপজেলার মিনিগাড়ি গ্রামের এমরান হোসেনের ছেলে শিশু তানভির হোসেন।
অপরদিকে দুপুরে জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মিনিগাড়ি গ্রাম থেকে মামার মোটরসাইকেলের পেছনে বসে শিশু তানভীর একই উপজেলার দাশরা গ্রামে যাচ্ছিল। দাশরা গ্রামে আসা মাত্র তানভির সাইকেল থেকে পড়ে যায়। এ সময় একটি ভটভটি তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) উজ্জল কুমার রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সুন্দরী নারীর দিকে নজর চালকের, বাস উল্টে নিহত ৩
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার রামগঞ্জ সড়কে জননী সার্ভিসের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মুন্সির রাস্তার মাথা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তারা হলেন সোনাইমুড়ী উপজেলার নাওতলা গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে ভাঙারি মালের ব্যবসায়ী নুর আলম (৩৫) ও অপরজন বেগমগঞ্জ উপজেলার মিরওয়ারিশপুর গ্রামের মৃদ লেদু মিয়ার ছেলে জাফর আহমেদ। পেশায় তিনি একজন সুইপার।
ওই বাসের যাত্রী আহত ফারুক বলেন, বাসটির চালক তার বাম পাশের সিটে বসা এক সুন্দরী নারীর দিকে বার বার তাকাচ্ছিলেন। এ কারণে তিনি বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।
চাটখিল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, বাসটি জেলার চৌমুহনী চৌরাস্তা থেকে চাটখিলের রামগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মুন্সির রাস্তার মাথা নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার কাজ চালিয়ে তিনজনের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে। এর মধ্যে আহত যাত্রীদের চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসাপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
NEWS REF
Subscribe to:
Posts (Atom)
মেধাবী ছাত্র আদনান সামিনের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বৃত্তি লাভ
ঢাকা| রাত ৮:১৪,শুক্রবার,৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং||২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ||৮ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী||হেমন্তক...
-
বিমানবন্দর সড়কের বাসের ধাক্কায় সেন্ট যোসেফ কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী আদনান তাসিন নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাসচালককে আটক ও বিচারের দাবি...





